সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

বাইবেল কি জুয়াখেলাকে নিন্দা করে?

বাইবেল কি জুয়াখেলাকে নিন্দা করে?

বাইবেল কি জুয়াখেলাকে নিন্দা করে?

জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের অনুষ্ঠানগুলো প্রায়ই জুয়াখেলাকে—বিশেষভাবে ক্যাসিনোর মধ্যে জুয়াখেলাকে—চমৎকার, বিলাসী ও আভিজাত্যপূর্ণ অবসর বিনোদন হিসেবে উপস্থাপন করে থাকে। অবশ্য, দর্শকরা সাধারণত স্বীকার করে যে, এইরকম উপস্থাপনা হল কেবল অবাস্তব কল্পনা।

কিন্তু, বাস্তব জগতে লটারির টিকিট, খেলায় বাজি ধরা ও অনলাইনে জুয়াখেলা জুয়াড়িদের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য ক্যাসিনোগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। জুয়াখেলা হচ্ছে “বলতে গেলে বহুল পরিচিত এক নেশা, যেটার জনপ্রিয়তা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে,” ইন্টারনেট গ্যাম্বলিং বইটি বলে। উদাহরণস্বরূপ, পোকারকে (বাজি ধরে তাস খেলাকে) টেলিভিশন ও ইন্টারনেটে এখন খুবই প্রচলিত এক খেলা হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি সংবাদপত্র অনুসারে, বিশেষজ্ঞরা হিসাব করে দেখেছে যে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে পোকার খেলোয়াড়দের সংখ্যা ১৮ মাসের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে।

জুয়াখেলাকে এক অনিশ্চিত ফলাফলের ওপর টাকা বাজি ধরা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অনেক লোক এই যুক্তি করে থাকে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত জুয়াড়ির টাকা নিজের কাছে থাকে এবং তিনি আসক্ত হয়ে না পড়েন, ততক্ষণ পর্যন্ত জুয়াখেলার মধ্যে দোষের কিছু নেই। বস্তুতপক্ষে, নিউ ক্যাথলিক এনসাইক্লোপিডিয়া বলে যে, জুয়াখেলাকে “পাপ হিসেবে গণ্য করা হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত না এটা একজন ব্যক্তিকে তার দায়দায়িত্ব সম্পাদন করার ক্ষেত্রে বাধা দেয়।” কিন্তু, এই উপসংহারকে সমর্থন করার জন্য কোনো শাস্ত্রীয় বাক্যাংশ উল্লেখ করা নেই। তাহলে, এই বিষয়টাকে একজন খ্রিস্টানের কীভাবে দেখা উচিত? বাইবেল কি জুয়াখেলাকে অনুমোদন করে, নাকি নিন্দা করে?

এই বিষয়টা লক্ষণীয় যে, পবিত্র শাস্ত্রে জুয়াখেলা সম্বন্ধে সরাসরি উল্লেখ করা নেই। কিন্তু, এর মানে এই নয় যে, আমাদেরকে এই বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। প্রতিটা কাজ অথবা পরিস্থিতি পরিচালনা করার জন্য নিয়মকানুন জারি করার পরিবর্তে, বাইবেল আমাদেরকে ‘প্রভুর [ঈশ্বরের] ইচ্ছা কি, তাহা বুঝিবার’ জন্য জোরালো পরামর্শ দেয়। (ইফিষীয় ৫:১৭) বাইবেল পণ্ডিত ই. ডব্লু. বুলিংগারের মতানুসারে, “বুঝ” হিসেবে অনুবাদিত গ্রিক শব্দটির অর্থ হল, “মানসিক কর্মতৎপরতা এবং গভীরভাবে চিন্তা ও বিবেচনা করার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান” দ্বারা কোনো বিষয়ের বিভিন্ন দিক সম্বন্ধে বোঝা। তাই, জুয়াখেলার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন নীতির ওপর গভীরভাবে চিন্তা করার মাধ্যমে একজন খ্রিস্টান এই বিষয়ে ঈশ্বরের ইচ্ছা সম্বন্ধে বুঝতে পারেন। নীচের আলোচনায় উল্লেখিত শাস্ত্রপদ পড়ার সময় আপনি হয়তো নিজেকে জিজ্ঞেস করতে পারেন: ‘জুয়াখেলা কি শাস্ত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? ঈশ্বরের বাক্য এই বিষয়ে তাঁর ইচ্ছা সম্বন্ধে কী ইঙ্গিত করে?’

ভাগ্যে বিশ্বাস করার প্রলোভন

যেহেতু জুয়াখেলার সঙ্গে অনিশ্চিত বিষয়গুলোর ওপর বাজি ধরার বিষয়টা জড়িত, তাই বিশেষভাবে যখন টাকা নিয়ে বাজি ধরা হয়, তখন ভাগ্যে বিশ্বাস করা—কোনো রহস্যময় শক্তি লক্ষ্যহীন ঘটনাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে এমন বিশ্বাস—এক বিরাট ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ, লটারির টিকিটগুলোর জন্য শুভ সংখ্যা বেছে নেওয়া হয়; কুসংস্কারাচ্ছন্ন মাজং খেলোয়াড়দের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ উচ্চারণ করা নিষেধ; ঘুঁটি ছুড়ে মারার আগে সেটাতে ফুঁ দেওয়া হয়। কেন? কারণ জুয়াড়িরা প্রায়ই বিশ্বাস করে থাকে যে, ভাগ্য ফলাফলের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে বা অনন্তপক্ষে কিছুটা হলেও করবে।

ভাগ্যের ওপর নির্ভর করা কি নিছক এক অক্ষতিকর খেলা? প্রাচীন ইস্রায়েলের কিছু লোক সেটাই মনে করেছিল। তারা বিশ্বাস করত যে, ভাগ্য তাদের জন্য সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। যিহোবা সেই বিষয়ে কেমন বোধ করেছিলেন? তাঁর ভাববাদী যিশাইয়ের মাধ্যমে ঈশ্বর তাদেরকে বলেছিলেন: “তোমরা যাহারা সদাপ্রভুকে ত্যাগ করিতেছ, আমার পবিত্র পর্ব্বত ভুলিয়া যাইতেছ, ভাগ্য [দেবের] জন্য মেজ সাজাইয়া থাক, এবং নিরূপণী [দেবীর] উদ্দেশে মিশ্র সুরা পূর্ণ করিয়া থাক।” (যিশাইয় ৬৫:১১) ঈশ্বরের দৃষ্টিতে ভাগ্যে বিশ্বাস করা হল এক ধরনের প্রতিমাপূজা এবং এটা সত্য উপাসনার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এটা সত্য ঈশ্বরের পরিবর্তে বরং কাল্পনিক কোনো শক্তির ওপর নির্ভরতাকে প্রতিফলিত করে। আর এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণই নেই যে, ঈশ্বর তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছেন।

যেভাবে পুরস্কার জয় করা হয়

অনলাইনে বাজি ধরা, কোনো লটারির টিকিট কেনা, কোনো খেলায় বাজি ধরা অথবা ক্যাসিনোতে গিয়ে জুয়াখেলা, যেটাই করুক না কেন, জুয়াড়িরা প্রায়ই সেই পুরস্কারের উৎসকে উপেক্ষা করে থাকে, যে-পুরস্কার জয় করার জন্য তারা প্রতিযোগিতা করে। জুয়াখেলা এই অর্থে বৈধ লেন-দেন বা ক্রয়-বিক্রয় থেকে আলাদা যে, এতে একজন খেলোয়াড় অন্য খেলোয়াড়দের খোয়ানো টাকা জয় করতে চায়। * কানাডার আসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যেকন্দ্র বলে, “সমস্ত কোটিপতিই লটারি জিতে কোটিপতি হয়েছে, তবে এমন লক্ষ লক্ষ লোকও রয়েছে, যারা তাদের টাকা খুইয়েছে!” এই বিষয়ে ঈশ্বরের অনুভূতি বোঝার জন্য বাইবেলের কোন নীতিগুলো একজন খ্রিস্টানকে সাহায্য করতে পারে?

ইস্রায়েলীয়দের দেওয়া দশ আজ্ঞার শেষ আজ্ঞাটি এভাবে বলেছিল: “তোমার প্রতিবাসীর গৃহে লোভ করিও না; প্রতিবাসীর স্ত্রীতে, কিম্বা তাহার দাসে কি দাসীতে, কিম্বা তাহার গোরুতে কি গর্দ্দভে, প্রতিবাসীর কোন বস্তুতেই লোভ করিও না।” (যাত্রাপুস্তক ২০:১৭) প্রতিবাসীর জিনিসের—তার বস্তুগত বিষয়-আশয়, ধনসম্পদ ও টাকাপয়সার—প্রতি লোভ করা এক গুরুতর পাপ ছিল, যেটাকে তার স্ত্রীর প্রতি লোভ করার সঙ্গে তালিকাবদ্ধ করা হয়েছে। শত শত বছর পর প্রেরিত পৌল খ্রিস্টানদের জন্য এই আজ্ঞা পুনরাবৃত্তি করেছিলেন: “লোভ করিও না।” (রোমীয় ৭:৭) অন্য ব্যক্তির খোয়ানো বিষয় জয় করার চেষ্টা করেন এমন একজন খ্রিস্টান কি লোভ করার দোষে দোষী হতে পারেন?

“তারা [অধিকাংশ জুয়াড়ি] এটা স্বীকার করুক বা না করুক,” কলমলেখক জে. ফিলিপ ভোগেল লেখেন, “খেলা শুরু হওয়ার আগেই তারা তাদের বাজিকে—এমনকী সেটা মাত্র কয়েক ডলার হলেও—অপ্রত্যাশিতভাবে বিরাট অঙ্কে পরিণত হওয়ার গোপন স্বপ্ন দেখে।” এই জুয়াড়িরা একটা সহজ দান মেরেই সেই বাজিকে বিরাট অঙ্কে পরিণত করার স্বপ্ন দেখে। এটা স্পষ্টতই বাইবেলের এই পরামর্শের বিপরীত যে, খ্রিস্টানরা “স্বহস্তে সদ্ব্যাপারে পরিশ্রম করুক, যেন দীনহীনকে দিবার জন্য তাহার হাতে কিছু থাকে।” (ইফিষীয় ৪:২৮) আর প্রেরিত পৌল সুনির্দিষ্টভাবেই বলেছিলেন: “যদি কেহ কার্য্য করিতে না চায়, তবে সে আহারও না করুক।” তিনি আরও বলেছিলেন: “তাহারা . . . কার্য্য করিয়া আপনাদেরই অন্ন ভোজন করুক।” (২ থিষলনীকীয় ৩:১০, ১২) কিন্তু, জুয়াখেলাকে কি বৈধ কাজ হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে?

যদিও জুয়াখেলা টান টান উত্তেজনাকর এক খেলা হতে পারে কিন্তু পুরস্কার স্বরূপ যে-টাকাপয়সা জয় করা হয়, সেটা কোনো কাজ সম্পাদন করার কিংবা সেবা প্রদানের বিনিময়ে উপার্জন বা লাভ করা হয় না। জুয়াখেলায়, সম্ভাবনার ওপর টাকাপয়সা বাজি ধরা হয়, যেটা পুরোপুরিভাবে দৈব ঘটনার ওপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যাশা করা হয় যে, শেষপর্যন্ত ফলাফল ভালো হবেই। মূলত, একজন জুয়াড়ি কোনো কিছু না দিয়েই কিছু পাওয়ার চেষ্টা করে থাকেন। অন্যদিকে, সত্য খ্রিস্টানদেরকে সৎ কাজ করার মাধ্যমে টাকাপয়সা উপার্জন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। “ভোজন পান করা এবং নিজ পরিশ্রমের মধ্যে প্রাণকে সুখভোগ করান ব্যতীত আর মঙ্গল মানুষের হয় না,” বিজ্ঞ রাজা শলোমন লিখেছিলেন। পরে তিনি আরও বলেছিলেন: “তাহা ঈশ্বরের হস্ত হইতে হয়।” (উপদেশক ২:২৪) হ্যাঁ, ঈশ্বরের দাসেরা কাল্পনিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে আশা করে না কিংবা সহজ উপায় খোঁজে না, বরং তারা সুখ ও আশীর্বাদ লাভ করার জন্য ঈশ্বরের ওপর নির্ভর করে।

যে-‘ফাঁদ’ এড়িয়ে চলতে হবে

এমনকী একজন খেলোয়াড় যদি সম্ভাবনার ওপর বাজি ধরে জয়ী হন, তবুও তার শুধুমাত্র জয় করার ক্ষণিক উত্তেজনার বিষয়ে নয় কিন্তু সেইসঙ্গে জুয়াখেলার বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের বিষয়েও বিবেচনা করা উচিত। “যে অধিকার প্রথমে ত্বরায় পাওয়া যায়,” হিতোপদেশ ২০:২১ পদ বলে, “তাহার শেষ ফল আশীর্ব্বাদযুক্ত হইবে না।” অনেক লটারি বিজয়ী এবং অন্যান্য জুয়াড়ি অনুশোচনা করে ও কষ্ট পেয়ে এই বিষয়টা বুঝতে পেরেছে যে, তাদের জয় করা ধনসম্পদ তাদের জন্য সুখ বয়ে আনেনি। বাইবেলের এই পরামর্শে মনোযোগ দেওয়া কতই না উত্তম যে, আমরা যেন “ধনের অস্থিরতার উপরে” আমাদের আশা না রাখি “কিন্তু যিনি ধনবানের ন্যায় সকলই আমাদের ভোগার্থে যোগাইয়া দেন, সেই ঈশ্বরেরই উপরে প্রত্যাশা” রাখি।—১ তীমথিয় ৬:১৭.

জুয়াখেলায় জয় করা ও খুইয়ে ফেলা ছাড়া, আরও অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে। “যাহারা ধনী হইতে বাসনা করে, তাহারা পরীক্ষাতে ও ফাঁদে এবং নানাবিধ মূঢ় ও হানিকর অভিলাষে পতিত হয়, সে সকল মনুষ্যদিগকে সংহারে ও বিনাশে মগ্ন করে,” ঈশ্বরের বাক্য বলে। (১ তীমথিয় ৬:৯) একটা ফাঁদ এর শিকারকে আটকে ফেলার জন্য তৈরি করা হয়। এমন অসংখ্য লোক, যারা কেবল অল্প পরিমাণ টাকা বাজি ধরার কিংবা শুধুমাত্র কয়েক বার জুয়াখেলার চেষ্টা করেছে, তারা এই ফাঁদে আটকে পড়েছে এবং জুয়াখেলার আসক্তি থেকে মুক্ত হতে পারেনি। এটা তাদের কেরিয়ার ধ্বংস করে দিয়েছে, প্রিয়জনদের কষ্ট দিয়েছে এবং পরিবারকে ভেঙে ফেলেছে।

জুয়াখেলার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন শাস্ত্রপদ বিবেচনা করার পর, আপনি কি এই বিষয়ে ঈশ্বরের ইচ্ছা কী, তা বুঝতে পারেন? প্রেরিত পৌল সহখ্রিস্টানদের এই জোরালো পরামর্শ দিয়েছিলেন: “এই যুগের অনুরূপ হইও না, কিন্তু মনের নূতনীকরণ দ্বারা স্বরূপান্তরিত হও; যেন তোমরা পরীক্ষা করিয়া জানিতে পার, ঈশ্বরের ইচ্ছা কি, যাহা উত্তম ও প্রীতিজনক ও সিদ্ধ।” (রোমীয় ১২:২) ঈশ্বরের ইচ্ছাই যেন খ্রিস্টানদের জীবনকে নির্দেশনা দেয়, জনপ্রিয় মতামতগুলো নয়। কারণ “পরম ধন্য” বা সুখী ‘ঈশ্বর’ যিহোবা চান যেন আমরা এমন জীবন উপভোগ করি, যা জুয়াখেলার ফাঁদ যে-তিক্ত ফল নিয়ে আসে, তা থেকে মুক্ত।—১ তীমথিয় ১:১১. (w১১-E ০৩/০১)

[পাদটীকা]

^ যিহোবার সাক্ষিদের দ্বারা প্রকাশিত ২০০০ সালের ৮ অক্টোবর সচেতন থাক! (ইংরেজি) পত্রিকার ২৫ থেকে ২৭ পৃষ্ঠা ব্যাখ্যা করেছিল যে, শেয়ার বাজারে অর্থ বিনিয়োগ করা কীভাবে জুয়াখেলা থেকে আলাদা।

[৩২ পৃষ্ঠার ব্লার্ব]

ঈশ্বরের দাসেরা সৎ কাজ করার মাধ্যমে টাকাপয়সা উপার্জন করে থাকে

[৩১ পৃষ্ঠার বাক্স]

জয়ী হওয়ার উত্তেজনা

জুয়াখেলার অভ্যাস কি সহজেই আসক্তির দিকে পরিচালিত করে? জয় করার ও খুইয়ে ফেলার প্রতি জুয়াড়িদের প্রতিক্রিয়ার ওপর এক গবেষণা করার পর ড. হ্যান্স ব্রাইটার বলেছিলেন যে, “জুয়াখেলার মতো আর্থিক পুরস্কার লাভ করার কোনো অভিজ্ঞতা মস্তিষ্কে প্রায় সেই একইরকম সক্রিয়তা শুরু করে, যেমনটা কোকেনে আসক্ত একজন ব্যক্তির মধ্যে কোকেন সেবন করার সময় লক্ষ করা গিয়েছে।”

[৩১ পৃষ্ঠার চিত্র]

কাদের টাকাপয়সা জুয়াড়িরা জয় করার আশা করে?