সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

জেগে থাকুন!

রাশিয়া ইউক্রেনকে আক্রমণ করে

রাশিয়া ইউক্রেনকে আক্রমণ করে

 ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি খুব সকালে রাশিয়া সেনাবাহিনী নিয়ে ইউক্রেন আক্রমণ করে। যদিও বিশ্বের নেতারা চেষ্টা করেছিল, যাতে এই যুদ্ধ না হয়। এই আক্রমণের ফলে বিশ্বের উপর কেমন প্রভাব পড়তে পারে? জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসংঘ (ইউনাইটেড নেশন্‌স)-এর মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস কিছুদিন আগে বলেছেন: “এই দ্বন্দ্ব যে-কষ্ট ও ধ্বংস নিয়ে আসবে আর সেইসঙ্গে ইউরোপের দেশগুলোর এবং সারা বিশ্বের নিরাপত্তাকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করবে, তা আমরা কল্পনাও করতে পারব না।”

বাইবেল অনুসারে এইরকম ঘটনাগুলোর কোন গুরুত্ব রয়েছে?

  •   যিশু খ্রিস্ট এমন এক সময় সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্‌বাণী করেছিলেন, যখন “এক জাতি আরেক জাতিকে এবং এক রাজ্য আরেক রাজ্যকে আক্রমণ করবে।” (মথি ২৪:৭) বাইবেল দেখায়, বর্তমানে যে-যুদ্ধগুলো হচ্ছে, সেগুলো যিশুর ভবিষ্যদ্‌বাণীকে পরিপূর্ণ করছে। এই বিষয়ে জানার জন্য “What Is the Sign of the ‘Last Days,’ or ‘End Times’?” শিরোনামের প্রবন্ধটা পড়ুন।

  •   বাইবেলের প্রকাশিত বাক্য বই যুদ্ধকে এভাবে বর্ণনা করেছে যে, একজন ব্যক্তি এমন একটা ঘোড়ার উপর বসে রয়েছে “যেটার রং আগুনের মতো লাল” আর সে “পৃথিবী থেকে শান্তি কেড়ে” নেয়। (প্রকাশিত বাক্য ৬:৪) এই ভবিষ্যদ্‌বাণী আজকে যে-যুদ্ধ হচ্ছে, সেটার প্রতি কীভাবে প্রযোজ্য, তা জানার জন্য “চার জন অশ্বারোহী—তারা কারা?” শিরোনামের প্রবন্ধটা দেখুন।

  •   দানিয়েল বই “উত্তর দেশের রাজা” এবং ‘দক্ষিণ দেশের রাজার’ মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়ে ভবিষ্যদ্‌বাণী করেছিল। (দানিয়েল ১১:২৫-৪৫) রাশিয়া এবং এর মিত্র দেশগুলোকে কেন উত্তর দেশের রাজা হিসেবে শনাক্ত করা যেতে পারে, সেই সম্বন্ধে জানার জন্য পরিপূর্ণ হয়েছে এমন ভবিষ্যদ্‌বাণী—দানিয়েল অধ্যায় ১১ শিরোনামের ভিডিওটা দেখুন। a

  •   প্রকাশিত বাক্য বইয়ে “সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের মহাদিনের যুদ্ধের” বিষয়েও বলা আছে। (প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৪, ১৬) কিন্তু, বিভিন্ন জাতির মধ্যে এখন আমরা যে-যুদ্ধ দেখতে পাচ্ছি, এটা সেই যুদ্ধ নয়। এই যুদ্ধ ভবিষ্যতে হবে। এই সম্বন্ধে আরও তথ্য জানার জন্য “What Is the Battle of Armageddon?” শিরোনামের প্রবন্ধটা পড়ুন।

কেন আপনি এক উত্তম ভবিষ্যৎ আশা করতে পারেন?

  •   বাইবেল বলে, ঈশ্বর “পৃথিবীর প্রান্ত পর্য্যন্ত যুদ্ধ নিবৃত্ত” করবেন। (গীতসংহিতা ৪৬:৯) ঈশ্বর যে-ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে প্রতিজ্ঞা করেছেন, সেই বিষয়ে আরও জানার জন্য “A Real Hope for a Better Tomorrow” শিরোনামের প্রবন্ধটা পড়ুন।

  •   যিশু তাঁর অনুসারীদের শিক্ষা দিয়েছিলেন, তারা যেন ঈশ্বরের রাজ্য আসার জন্য প্রার্থনা করে। (মথি ৬:৯, ১০) সেই রাজ্য হল স্বর্গীয় সরকার, যা পৃথিবীর জন্য ঈশ্বরের ইচ্ছা পূর্ণ করবে আর ঈশ্বরের এই ইচ্ছার মধ্যে রয়েছে পৃথিবীব্যাপী শান্তি। এই রাজ্যের মাধ্যমে আপনি কীভাবে উপকার লাভ করতে পারেন, সেই বিষয়ে জানার জন্য ঈশ্বরের রাজ্য কী? শিরোনামের ভিডিওটা দেখুন।

 ইউক্রেনে ১,২৯,০০০রেরও বেশি যিহোবার সাক্ষি রয়েছে। অন্যান্য দেশের সাক্ষিদের মতো তারাও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে এবং যুদ্ধে অংশ না নিয়ে যিশুকে অনুকরণ করে থাকে। (যোহন ১৮:৩৬) পৃথিবীব্যাপী যিহোবার সাক্ষিরা ক্রমাগত ঈশ্বরের “রাজ্যের সুসমাচার“ সম্বন্ধে ঘোষণা করছে, যে-রাজ্য মানুষের সমস্যাগুলো ও সেইসঙ্গে যুদ্ধও দূর করে দেবে। (মথি ২৪:১৪) বাইবেলের এই প্রত্যাশার বার্তা সম্বন্ধে আরও জানার জন্য আমরা আপনাকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

a এই ভবিষ্যদ্‌বাণী সম্বন্ধে পুরোপুরিভাবে আলোচনা করার জন্য “কারা শেষকালে ‘উত্তর দেশের রাজা’ হয়ে ওঠে?” এবং “বর্তমানে ‘উত্তর দেশের রাজা’ কে?” শিরোনামের প্রবন্ধগুলো দেখুন।