সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি দ্বিতীয় মেনুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

যিহোবার সাক্ষিরা

বাংলা

আজকে কারা যিহোবার ইচ্ছা পালন করছে?

 পাঠ ২০

আজকের দিনে কীভাবে পরিচালকগোষ্ঠী কাজ করে?

আজকের দিনে কীভাবে পরিচালকগোষ্ঠী কাজ করে?

প্রথম শতাব্দীর পরিচালকগোষ্ঠী

পরিচালকগোষ্ঠীর চিঠি পড়া

প্রথম শতাব্দীতে, সমস্ত অভিষিক্ত খ্রিস্টান মণ্ডলীর হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার জন্য “যিরূশালেমে প্রেরিতগণের ও প্রাচীনবর্গের” একটা ছোটো দল পরিচালকগোষ্ঠী হিসেবে কাজ করত। (প্রেরিত ১৫:২) তাদের নেওয়া সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ছিল শাস্ত্র যা বলে, তা আলোচনা করার এবং ঈশ্বরের আত্মার নির্দেশনায় চলার ফল। (প্রেরিত ১৫:২৫) সেই একই উদাহরণ আজকেও অনুসরণ করা হয়ে থাকে।

তাঁর ইচ্ছা পালন করার জন্য ঈশ্বর তাদেরকে ব্যবহার করছেন। যে-অভিষিক্ত ভাইয়েরা পরিচালকগোষ্ঠীতে সেবা করে, তাদের ঈশ্বরের বাক্যের প্রতি গভীর আগ্রহ এবং ব্যবহারিক ও আধ্যাত্মিক বিষয়গুলো পরিচালনা করার ব্যাপারে অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশ্বব্যাপী ভ্রাতৃসমাজের প্রয়োজনগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য তারা প্রত্যেক সপ্তাহে মিলিত হয়। প্রথম শতাব্দীর মতোই, চিঠিপত্রের অথবা ভ্রমণ অধ্যক্ষ ও অন্যদের মাধ্যমে বাইবেলভিত্তিক নির্দেশনাদি প্রদান করা হয়ে থাকে। এটা ঈশ্বরের লোকেদের মধ্যে তাদের চিন্তাধারায় ও কাজে একতা নিয়ে আসে। (প্রেরিত ১৬:৪, ৫) পরিচালকগোষ্ঠী আধ্যাত্মিক খাদ্য প্রস্তুত করার বিষয়টা তত্ত্বাবধান করে, প্রচার কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য সকলকে উৎসাহিত করে এবং ভাইদেরকে দায়িত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত করার বিষয়টা দেখাশোনা করে।

তারা ঈশ্বরের আত্মার নির্দেশনার প্রতি সাড়া দিয়ে থাকে। নির্দেশনার জন্য পরিচালকগোষ্ঠী নিখিলবিশ্বের সার্বভৌম যিহোবার এবং মণ্ডলীর মস্তক যিশুর প্রতি দৃষ্টি রাখে। (১ করিন্থীয় ১১:৩; ইফিষীয় ৫:২৩) এর সদস্যরা নিজেদেরকে ঈশ্বরের লোকেদের নেতা বলে মনে করে না। সমস্ত অভিষিক্ত খ্রিস্টানের সঙ্গে তারাও ‘যে কোন স্থানে মেষশাবক [যিশু] গমন করেন, সেই স্থানে তাঁহার অনুগামী হয়।’ (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৪) পরিচালকগোষ্ঠীর জন্য করা আমাদের প্রার্থনাকে তারা উপলব্ধি করে।

  • প্রথম শতাব্দীতে কাদের নিয়ে পরিচালকগোষ্ঠী গঠিত ছিল?

  • কীভাবে আজকে পরিচালকগোষ্ঠী ঈশ্বরের নির্দেশনা লাভ করার চেষ্টা করে?