সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি দ্বিতীয় মেনুতে যান

যিহোবার সাক্ষিরা

বাংলা

ঈশ্বরের রাজ্য কী?

ঈশ্বরের রাজ্য কী?

আপনি কি বলবেন যে, এটা . . .

  • হৃদয়ের মধ্যে থাকা কোনো বিষয়?

  • স্বর্গের কোনো স্থান?

  • এক স্বর্গীয় সরকার?

 বাইবেল যা বলে

“স্বর্গের ঈশ্বর এক রাজ্য স্থাপন করিবেন, তাহা কখনও বিনষ্ট হইবে না।” —দানিয়েল ২:৪৪, পবিত্র বাইবেল।

“জগতের রাজ্য আমাদের প্রভুর ও তাঁহার খ্রীষ্টের হইল, এবং তিনি যুগপর্য্যায়ের যুগে যুগে রাজত্ব করিবেন।”—প্রকাশিত বাক্য ১১:১৫.

আপনার জন্য এর অর্থ যা হতে পারে

  • এক ধার্মিক সরকার, যা ব্যক্তিগতভাবে আপনার জন্য উপকারজনক কাজ করতে পারে। —যিশাইয় ৪৮:১৭, ১৮.

  • আসন্ন নতুন জগতে পুরোপুরি সুস্থ দেহ এবং সুখী জীবন থাকবে।—প্রকাশিত বাক্য ২১:৩, ৪.

 বাইবেল যা বলে, তা কি আমরা আসলেই বিশ্বাস করতে পারি?

বিশ্বাস করতে পারি আর তা অন্ততপক্ষে দুটো কারণে:

  • যিশু দেখিয়েছিলেন যে, ঈশ্বরের রাজ্য কী সম্পাদন করবে। যিশু তাঁর অনুসারীদের ঈশ্বরের রাজ্য আসার এবং পৃথিবীতে ঈশ্বরের ইচ্ছা পূর্ণ হওয়ার জন্য প্রার্থনা করতে শিক্ষা দিয়েছিলেন। (মথি ৬:৯, ১০) যিশু দেখিয়েছিলেন যে, কীভাবে সেই প্রার্থনার উত্তর দেওয়া হবে।

    পৃথিবীতে থাকাকালীন যিশু ক্ষুধার্ত ব্যক্তিদের খাইয়েছিলেন, অসুস্থদের সুস্থ করেছিলেন এবং মৃতদের পুনরুত্থিত করেছিলেন! (মথি ১৫:২৯-৩৮; যোহন ১১:৩৮-৪৪) ঈশ্বরের রাজ্যের ভাবী শাসক হিসেবে যিশু এক চমৎকার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে, সেই রাজ্য এর প্রজাদের জন্য কী করবে।—প্রকাশিত বাক্য ১১:১৫.

  • জগতের অবস্থা দেখায় যে, শীঘ্র ঈশ্বরের রাজ্য আসবে। যিশু ভবিষ্যদ্‌বাণী করেছিলেন, রাজ্য এই পৃথিবীতে শান্তি নিয়ে আসার ঠিক আগেই আমাদের জগতে যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ এবং ভূমিকম্প হবে। —মথি ২৪:৩,.

    বর্তমানে আমরা ঠিক সেই অবস্থাই দেখতে পাচ্ছি। তাই, আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে, শীঘ্র ঈশ্বরের রাজ্য এইরকম সমস্ত সমস্যার শেষ নিয়ে আসবে।

 চিন্তা করার মতো বিষয়

ঈশ্বরের রাজ্যের শাসনের অধীনে জীবন কেমন হবে?

বাইবেলে এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় গীতসংহিতা ৩৭:২৯ এবং যিশাইয় ৬৫:২১-২৩ পদে।

আরও জানুন

ঈশ্বরের কাছ থেকে সুসমাচার!

পৃথিবীর জন্য ঈশ্বরের উদ্দেশ্য কী?

বাইবেল ব্যাখ্যা করে যে, কেন ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন, কখন দুঃখকষ্ট শেষ হবে, ভবিষ্যতে পৃথিবী কেমন হবে আর কারা সেখানে বাস করবে।