সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি দ্বিতীয় মেনুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

যিহোবার সাক্ষিরা

বাংলা

প্রহরীদুর্গ  |  নং  ১ ২০১৬

 প্রচ্ছদ বিষয় | প্রার্থনা করলে কি কোনো উপকার পাওয়া যায়?

যে-কারণে ঈশ্বর আমাদেরকে প্রার্থনা করার জন্য আমন্ত্রণ জানান

যে-কারণে ঈশ্বর আমাদেরকে প্রার্থনা করার জন্য আমন্ত্রণ জানান

ঈশ্বর তাঁর বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেন।

ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বন্ধুরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলে। একইভাবে, ঈশ্বর আমাদেরকে তাঁর সঙ্গে কথা বলার জন্য আমন্ত্রণ জানান আর এভাবে এক আন্তরিক বন্ধুত্ব গড়ে তোলার পথ খুলে দেন। তিনি বলেন, “তোমরা আমাকে আহ্বান করিবে, এবং গিয়া আমার কাছে প্রার্থনা করিবে, আর আমি তোমাদের কথায় কর্ণপাত করিব।” (যিরমিয় ২৯:১২) ঈশ্বরের সঙ্গে কথা বলার সময় আপনি ‘[তাঁহার] নিকটবর্ত্তী হইবেন, তাহাতে তিনিও আপনার নিকটবর্ত্তী হইবেন।’ (যাকোব ৪:৮) বাইবেল আমাদের আশ্বাস দেয়: “সদাপ্রভু সেই সকলেরই নিকটবর্ত্তী, যাহারা তাঁহাকে ডাকে।” (গীতসংহিতা ১৪৫:১৮) আমরা ঈশ্বরের কাছে যত বেশি প্রার্থনা করব, তাঁর সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব তত দৃঢ় হবে।

“সদাপ্রভু সেই সকলেরই নিকটবর্ত্তী, যাহারা তাঁহাকে ডাকে।” —গীতসংহিতা ১৪৫:১৮

ঈশ্বর আপনাকে সাহায্য করতে চান।

যিশু বলেছিলেন: “তোমাদের মধ্যে এমন লোক কে যে, আপনার পুত্ত্র রুটী চাহিলে তাহাকে পাথর দিবে, কিম্বা মাছ চাহিলে তাহাকে সাপ দিবে? অতএব তোমরা . . . যদি তোমাদের সন্তানদিগকে উত্তম উত্তম দ্রব্য দান করিতে জান, তবে ইহা কত অধিক নিশ্চয় যে, তোমাদের স্বর্গস্থ পিতা, যাহারা তাঁহার কাছে যাচ্ঞা করে, তাহাদিগকে উত্তম উত্তম দ্রব্য দান করিবেন।” (মথি ৭:৯-১১) হ্যাঁ, ঈশ্বর আপনাকে প্রার্থনা করতে আমন্ত্রণ জানান, কারণ ‘তিনি আপনার জন্য চিন্তা করেন’ এবং আপনাকে সাহায্য করতে চান। (১ পিতর ৫:৭) এমনকী তিনি চান, যেন আপনি আপনার সমস্যাগুলো নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। বাইবেল আমাদের জানায়: “কোন বিষয়ে ভাবিত হইও না, কিন্তু সর্ব্ববিষয়ে প্রার্থনা ও বিনতি দ্বারা ধন্যবাদ সহকারে তোমাদের যাচ্ঞা সকল ঈশ্বরকে জ্ঞাত কর।”—ফিলিপীয় ৪:৬.

মানুষের আধ্যাত্মিক চাহিদা রয়েছে।

মানুষের স্বভাব নিয়ে গবেষণা করেন, এমন বিশেষজ্ঞরা লক্ষ করেছেন যে, কোটি কোটি লোক প্রার্থনা করার তাগিদ অনুভব করে। এদের মধ্যে এমন কিছু ব্যক্তিও রয়েছেন, যারা নাস্তিক ও অজ্ঞেয়বাদী (যারা মনে করেন, ঈশ্বর আছেন কি না, তা জানা সম্ভব নয়)। * এই বিষয়টা প্রমাণ দেয়, মানুষকে আধ্যাত্মিক চাহিদা দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। যিশু বলেছিলেন: “মনুষ্য কেবল রুটীতে বাঁচিবে না, কিন্তু ঈশ্বরের মুখ হইতে যে প্রত্যেক বাক্য নির্গত হয়, তাহাতেই বাঁচিবে।” (মথি ৪:৪) এই চাহিদা পূরণ করার একটা উপায় হল, নিয়মিতভাবে ঈশ্বরের সঙ্গে কথা বলা।

কিন্তু, আমরা যদি ঈশ্বরের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রার্থনা করি, তা হলে আমরা কোন কোন উপকার লাভ করার আশা করতে পারি? (w১৫-E ১০/০১)

^ অনু. 8 ২০১২ সালে পিউ রিসার্চ সেন্টার-এর একটা সমীক্ষা দেখায়, যুক্তরার ১১ শতাংশ নাস্তিক/অজ্ঞেয়বাদী ব্যক্তি অন্ততপক্ষে মাসে এক বার প্রার্থনা করে।