সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি দ্বিতীয় মেনুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

যিহোবার সাক্ষিরা

বাংলা

প্রহরীদুর্গ  |  জুলাই ২০১৫

 প্রচ্ছদ বিষয় | শেষ কি খুব কাছেই?

অনেকে শেষ থেকে রক্ষা পাবে—আপনিও পেতে পারেন

অনেকে শেষ থেকে রক্ষা পাবে—আপনিও পেতে পারেন

বাইবেল আমাদের জানায়, শেষ আসার সঙ্গে ধ্বংস জড়িত: “তৎকালে এরূপ ‘মহাক্লেশ উপস্থিত হইবে, যেরূপ জগতের আরম্ভ অবধি এ পর্য্যন্ত কখনও হয় নাই,’ . . . আর সেই দিনের সংখ্যা যদি কমাইয়া দেওয়া না যাইত, তবে কোন প্রাণীই রক্ষা পাইত না।” (মথি ২৪:২১, ২২) কিন্তু, ঈশ্বর আমাদের কাছে প্রতিজ্ঞা করেন, অনেকে রক্ষা পাবে: “জগৎ . . . বহিয়া যাইতেছে; কিন্তু যে ব্যক্তি ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করে, সে অনন্তকালস্থায়ী।”—১ যোহন ২:১৭.

আপনি যদি জগতের বিনাশ থেকে রক্ষা পেতে এবং “অনন্তকালস্থায়ী” হতে চান, তা হলে আপনার কী করা উচিত? আপনার কি বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয় সংগ্রহ করে রাখা উচিত বা অন্যান্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখা উচিত? না। এর পরিবর্তে, বাইবেল ঈশ্বরের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে প্রথমে রাখার জন্য জোরালো পরামর্শ দেয়। এটি জানায়: “এইরূপে যখন এই সমস্তই বিলীন হইবে, তখন পবিত্র আচার ব্যবহার ও ভক্তিতে কিরূপ লোক হওয়া তোমাদের উচিত! ঈশ্বরের সেই দিনের আগমনের অপেক্ষা ও আকাঙ্ক্ষা করিতে করিতে সেইরূপ হওয়া চাই।” (২ পিতর ৩:১০-১২) এই পদের প্রসঙ্গ জানায়, “এই সমস্তই” অর্থাৎ যে-বিষয়গুলো বিলীন হবে, সেগুলোর অন্তর্ভুক্ত হল, এই কলুষিত জগতের শাসনরত সরকারগুলো ও সেইসঙ্গে সেই ব্যক্তিরা, যারা ঈশ্বরের পরিবর্তে এই সরকারগুলোকে সমর্থন করে। স্পষ্টতই, আমরা যদি বস্তুগত বিষয়গুলো সংগ্রহ করি, সেগুলো আমাদেরকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করতে পারবে না।

সত্যি বলতে কী, রক্ষা পেতে হলে আমাদের যিহোবা ঈশ্বরের প্রতি একাগ্র ভক্তি দেখাতে হবে এবং তিনি কোন ধরনের আচরণ ও কাজে খুশি হন, তা জানতে হবে। (সফনিয় ২:৩) আমরা যে এত গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে বাস করছি, এটার স্পষ্ট সংকেতগুলো বর্তমানে অধিকাংশ লোক উপেক্ষা করে থাকে। তাদের অনুসরণ করার পরিবর্তে, আমাদের “ঈশ্বরের সেই দিনের আগমনের অপেক্ষা ও আকাঙ্ক্ষা করিতে” হবে। আপনি কীভাবে এই আসন্ন দিন থেকে রক্ষা পেতে পারেন, তা যিহোবার সাক্ষিরা আপনাকে বাইবেল থেকে দেখাতে পারে। ▪ (w১৫-E ০৫/০১)