সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি দ্বিতীয় মেনুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

যিহোবার সাক্ষিরা

বাংলা

প্রহরীদুর্গ  |  জানুয়ারি ২০১৪

 প্রচ্ছদ বিষয় | কেন আমাদের সৃষ্টিকর্তাকে প্রয়োজন?

তারা সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে গিয়েছে

তারা সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে গিয়েছে

“আপনি কি ঈশ্বরকে ছাড়াই ভালো আছেন? লক্ষ লক্ষ লোক কিন্তু ভালো আছে।” সম্প্রতি একটা বিলবোর্ডে এইরকম এক বার্তাই লেখা ছিল। নাস্তিক ব্যক্তিদের একটা দল সেই বিলবোর্ডটা ভাড়া নিয়েছিল। কোনো সন্দেহ নেই যে, তারা মনে করে, তাদের সৃষ্টিকর্তাকে অর্থাৎ ঈশ্বরকে প্রয়োজন নেই।

অন্যদিকে, অনেক লোক ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে বলে দাবি করে থাকে। কিন্তু, তারা এমন সব সিদ্ধান্ত নেয়, যেন মনে হয় ঈশ্বরের কোনো অস্তিত্বই নেই। সালভাতোরে ফিজিকেলা নামে একজন ক্যাথলিক আর্চবিশপ নিজের গির্জার সদস্যদের সম্বন্ধে এইরকম মন্তব্য করেছেন: “বর্তমানে আমাদের দিকে তাকালে কেউই হয়তো বুঝতে পারে না যে আমরা খ্রিস্টান, কারণ আমাদের জীবনযাপনের ধরন অবিশ্বাসীদের মতোই।”

কেউ কেউ এতই ব্যস্ত যে, ঈশ্বরকে নিয়ে মাথা ঘামানোর কোনো সময় তাদের হাতে নেই। তারা মনে করে, তিনি অনেক দূরে বা তাঁর সঙ্গে তাদের ব্যবধান অনেক বেশি। তাই তাদের জীবনে ঈশ্বরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেই। বড়ো জোর, এই ধরনের ব্যক্তিরা শুধু সেই সময়েই ঈশ্বরকে স্মরণ করে, যখন তারা কোনো সমস্যায় পড়ে অথবা যখন তাদের কোনো কিছু দরকার হয়—বলতে গেলে এমন, যেন ঈশ্বর তাদের কথায় ওঠা-বসা করবেন।

আবার অন্যেরা, তাদের ধর্মের শিক্ষাগুলো পালন করে না কারণ তারা হয়তো সেগুলোকে উপকারী বলে মনে করে না। শুধু একটা উদাহরণ চিন্তা করে দেখুন। জার্মানির ৭৬ শতাংশ ক্যাথলিক মনে করে যে, যদি একজন পুরুষ ও একজন নারী বিয়ে না করেই একসঙ্গে থাকে, তাতে দোষের কিছু নেই। তাদের এই মনোভাব তাদের গির্জার শিক্ষা এবং বাইবেলের শিক্ষা, উভয়েরই বিপরীত। (১ করিন্থীয় ৬:১৮; ইব্রীয় ১৩:৪) অবশ্য, ধর্মীয় শিক্ষা আর জীবনযাপনের ধরনের মধ্যে পার্থক্য শুধুমাত্র ক্যাথলিকদের মধ্যেই দেখা যায় না। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পাদরিরা দুঃখ করে বলে, তাদের গির্জার সদস্যদের আচারব্যবহার “একেবারে নাস্তিকদের” মতো।

এইসমস্ত উদাহরণ যুক্তিসংগতভাবেই এই প্রশ্ন করার দিকে পরিচালিত করে: আমাদের কি আসলেই সৃষ্টিকর্তাকে প্রয়োজন? উত্থাপিত এই প্রশ্নটা নতুন কোনো বিষয় নয়। বাইবেলের প্রথম কয়েকটা পৃষ্ঠাতেই এই বিষয়টা সর্বপ্রথম উত্থাপিত হয়েছিল। এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য আসুন আমরা এখন বাইবেলের আদিপুস্তক বইয়ে উত্থাপিত বেশ কয়েকটা বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দিই। (w13-E 12/01)