সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি দ্বিতীয় মেনুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

যিহোবার সাক্ষিরা

বাংলা

প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন সংস্করণ)  |  জুন ২০১৪

আপনার কি মনে আছে?

আপনার কি মনে আছে?

আপনি কি গত কয়েক মাসের প্রহরীদুর্গ পত্রিকাগুলো মন দিয়ে পড়েছেন? যদি পড়ে থাকেন, তাহলে দেখুন আপনি নীচের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারেন কি না:

নিশান মাসের ১৪ তারিখের কোন সময়টাতে নিস্তারপর্বের মেষ বধ করতে হতো?

সেই মেষ “সন্ধ্যাকালে” অর্থাৎ কিছু বাইবেল অনুবাদ অনুসারে, গোধূলির সময় বধ করতে হতো। তাই, মেষ বধ করতে হতো সূর্যাস্তের পর, কিন্তু পুরোপুরি অন্ধকার হওয়ার আগে। (যাত্রা. ১২:৬)—১২/১৫, পৃষ্ঠা ১৮-১৯.

যুবক-যুবতীরা বাইবেলের কোন নীতিগুলো ব্যবহার করে বিজ্ঞ বাছাই করতে পারে?

সেই তিনটা নীতি হল, (১) প্রথমে ঈশ্বরের রাজ্য ও তাঁহার ধার্ম্মিকতার বিষয়ে চেষ্টা করো। (মথি ৬:১৯-৩৪) (২) অন্যদের সেবা করার মাধ্যমে ধন্য বা সুখী হও। (প্রেরিত ২০:৩৫) (৩) যৌবনকালে যিহোবাকে সেবা করা উপভোগ করো। (উপ. ১২:১)—১/১৫, পৃষ্ঠা ১৯-২০.

বাইবেলে যে প্রায়ই রঙের উল্লেখ রয়েছে, তা থেকে কী প্রমাণিত হয়?

বাইবেলের বর্ণনায় রঙের ব্যবহার প্রকাশ করে, রং যে মানুষের আবেগকে নাড়া দেয় তা ঈশ্বর বোঝেন এবং রং আমাদের বিভিন্ন বিষয় মনে রাখতে সাহায্য করে।—জানুয়ারি-মার্চ, পৃষ্ঠা ১৪-১৫.

কখন “মেষশাবকের বিবাহ” হবে? (প্রকা. ১৯:৭)

রাজা যিশু খ্রিস্ট যখন তাঁর জয় সম্পন্ন করবেন অর্থাৎ মহতী বাবিলকে ধবংস করার এবং আরমাগিদোনের যুদ্ধ সম্পন্ন হওয়ার পর, “মেষশাবকের বিবাহ” অনুষ্ঠিত হবে।—২/১৫, পৃষ্ঠা ১০.

কেন যিশুর দিনের যিহুদিরা মশীহের “অপেক্ষায়” ছিল? (লূক ৩:১৫)

প্রথম শতাব্দীর যিহুদিরা মশীহ সম্বন্ধে দানিয়েলের ভবিষ্যদ্‌বাণী আমাদের মতোই বুঝতে পেরেছিল কি না, তা আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না। (দানি. ৯:২৪-২৭) তা সত্ত্বেও, মেষপালকদের কাছে স্বর্গদূত যে-ঘোষণা করেছিলেন অথবা মন্দিরে শিশু যিশুকে দেখে ভাববাদিনী হান্না যা বলেছিলেন, তা হয়তো তারা শুনেছিল। এ ছাড়া, জ্যোতির্বিদরা “যিহূদীদের যে রাজা জন্মিয়াছেন,” তাঁর অন্বেষণ করেছিল। (মথি ২:১, ২) পরবর্তী সময়ে, যোহন বাপ্তাইজক ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, খ্রিস্ট শীঘ্র আবির্ভূত হবেন।—২/১৫, পৃষ্ঠা ২৬-২৭.

আমাদের হ্যাঁ যাতে না হয়ে না যায়, সেইজন্য আমরা কী করতে পারি? (২ করি. ১:১৮)

এটা ঠিক যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে না বলে মাঝে মাঝে হয়তো আমাদের কথা রাখা আমাদের জন্য অসম্ভব হতে পারে। কিন্তু, আমরা যদি একটা প্রতিজ্ঞা বা প্রতিশ্রুতি করি, তাহলে তা রাখার জন্য আমাদের যথাসাধ্য করা উচিত।—৩/১৫, পৃষ্ঠা ৩২.

আমাদের যে সৃষ্টিকর্তাকে প্রয়োজন, সেটার কিছু কারণ কী?

আমাদের উত্তম নির্দেশনা ও জীবনের সমস্যাগুলোর সমাধান প্রয়োজন আর ঈশ্বর এগুলো প্রদান করে থাকেন। তিনি আমাদের সাহায্য করেন যেন আমরা ভালোভাবে বেঁচে থাকি ও সুখী হই এবং তা সম্ভব করার জন্য তিনি তাঁর বাক্যে তুলে ধরা প্রতিজ্ঞাগুলো পরিপূর্ণ করবেন।—জানুয়ারি-মার্চ, পৃষ্ঠা ৪-৬.

একজন খ্রিস্টান যদি টাকাপয়সা আয় করার জন্য তার পরিবারকে রেখে অন্য আরেকটা দেশে চলে যান, তাহলে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি হতে পারে?

বাবা অথবা মা যদি পরিবারের সঙ্গে একত্রে না থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাদের সন্তানরা আবেগগত এবং নৈতিক দিক দিয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। তারা হয়তো বাবা অথবা মায়ের প্রতি কিংবা দু-জনের প্রতিই বিরক্ত হয়ে পড়তে পারে। আর যে-প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা তাদের সাথিদের কাছ থেকে দূরে বাস করে, তারা যৌন অনৈতিকতার প্রলোভনের মুখোমুখি হতে পারে।—৪/১৫, পৃষ্ঠা ১৯-২০.

আমাদের পরিচর্যায় লোকেদের কাছে গিয়ে কথা বলার সময় আমাদের কোন চারটে প্রশ্ন মনে রাখা উচিত?

আমি কার কাছে সাক্ষ্য দিচ্ছি? কোথায় গিয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছি? কখন তাদের কাছে যাচ্ছি? কীভাবে লোকেদের সঙ্গে আমার কথা বলা উচিত?—৫/১৫, পৃষ্ঠা ১২-১৫.