সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি দ্বিতীয় মেনুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

যিহোবার সাক্ষিরা

বাংলা

প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন সংস্করণ)  |  ফেব্রুয়ারি ২০১৪

সারিফতের বিধবা তার বিশ্বাসের জন্য পুরস্কৃত হয়েছিলেন

সারিফতের বিধবা তার বিশ্বাসের জন্য পুরস্কৃত হয়েছিলেন

এক দরিদ্র বিধবা তার ছেলেকে, তার একমাত্র সন্তানকে জড়িয়ে ধরেন। তিনি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। কিছুক্ষণ আগেও তিনি তার সন্তানের মৃতদেহটা কোমলভাবে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন। এখন তিনি তার পুনরুত্থিত ছেলের হাসি দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। “দেখ, তোমার পুত্ত্র জীবিত,” তার ঘরের অতিথি তাকে বলেন।

এই নাটকীয় পুনরুত্থান প্রায় ৩,০০০ বছর আগে ঘটেছিল। প্রথম রাজাবলি ১৭ অধ্যায়ে আপনি এই বিবরণ সম্বন্ধে পড়তে পারেন। সেই ঘরের অতিথি ছিলেন ঈশ্বরের ভাববাদী এলিয়। আর সেই মা কে ছিলেন? তিনি ছিলেন নাম না জানা এক বিধবা, যিনি সারিফত নগরে বাস করতেন। তার ছেলের পুনরুত্থান তার জীবনে এমন একটা ঘটনা ছিল, যা তার বিশ্বাসকে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী করেছিল। তার বিবরণের দিকে মনোযোগ দিলে আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা লাভ করব।

এলিয় এমন একজন বিধবাকে খুঁজে পান, যার বিশ্বাস রয়েছে

যিহোবা ঠিক করেন যে, ইস্রায়েলের দুষ্ট রাজা আহাবের রাজ্যে দীর্ঘ সময়ের জন্য খরা দেখা দেবে। এলিয় যখন এই খরার বিষয়ে ঘোষণা করেন, তখন ঈশ্বর তাকে আহাবের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখেন এবং কাকের মাধ্যমে তাঁর ভাববাদীর জন্য অলৌকিকভাবে রুটি ও মাংস জোগান। এরপর যিহোবা এলিয়কে বলেন: “তুমি উঠ, সীদোনের অন্তঃপাতী সারিফতে গিয়া সেখানে বাস কর; দেখ, আমি তথায় এক বিধবাকে তোমার খাদ্য দ্রব্য যোগাইবার আজ্ঞা দিয়াছি।”—১ রাজা. ১৭:১-৯.

এলিয় যখন সারিফতে উপস্থিত হন, তখন তিনি একজন দরিদ্র বিধবাকে কাঠ কুড়াতে দেখেন। ইনিই কি সেই নারী, যিনি ভাববাদীর জন্য খাদ্য জোগাবেন? যেহেতু সেই নারী নিজেই অত্যন্ত দরিদ্র, তাই কেমন করে তিনি খাদ্য জোগাতে পারেন? সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও, এলিয় সেই নারীর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। তিনি বলেন, “বিনয় করি, তুমি একটী পাত্রে করিয়া কিঞ্চিৎ জল আন, আমি পান করিব।” তিনি যখন জল আনতে যান, তখন এলিয় আরও বলেন: “বিনয় করি, আমার জন্য এক খণ্ড রুটী হাতে করিয়া আনিও।” (১ রাজা. ১৭:১০, ১১) এই অপরিচিত ব্যক্তিকে জল দেওয়া বিধবার জন্য কঠিন কিছু নয় কিন্তু তাকে রুটি দেওয়া তার জন্য একটা সমস্যা।

 তিনি বলেন: “তোমার ঈশ্বর জীবন্ত সদাপ্রভুর দিব্য, আমার ঘরে একটী পিষ্টকও নাই; কেবল জালায় এক মুষ্টি ময়দা ও ভাঁড়ে কিঞ্চিৎ তৈল আছে; আর দেখ, আমি খান দুই কাষ্ঠ কুড়াইতেছি, তাহা লইয়া গিয়া আমার ও আমার ছেলেটীর জন্য উহা পাক করিব; পরে আমরা তাহা খাইয়া মরিব।” (১ রাজা. ১৭:১২) এই কথাবার্তা থেকে যা প্রকাশ পায়, আসুন আমরা তা গভীরভাবে বিবেচনা করে দেখি।

বিধবা এলিয়কে ঈশ্বরভয়শীল একজন ইস্রায়েলীয় হিসেবে শনাক্ত করেন। এটা তার এই কথাগুলো থেকে স্পষ্ট হয়, “তোমার ঈশ্বর জীবন্ত সদাপ্রভুর দিব্য।” এটা থেকে বোঝা যায় যে, যদিও ইস্রায়েলের ঈশ্বর সম্বন্ধে তার কিছুটা জ্ঞান ছিল কিন্তু এতটা ছিল না যে, যিহোবাকে তিনি “আমার ঈশ্বর” বলে উল্লেখ করবেন। তিনি সারিফতে বাস করতেন আর এটা ছিল সীদোনের ফৈনিকীয় নগরের “অন্তঃপাতী” বা মধ্যবর্তী একটা নগর অথবা স্পষ্টতই সেই নগরের ওপর নির্ভরশীল। খুব সম্ভবত, সারিফতের লোকেরা বাল দেবতার উপাসনা করত। যা-ই হোক, যিহোবা এই বিধবার মধ্যে ব্যতিক্রম কিছু দেখেন।

যদিও দরিদ্র বিধবার চারপাশে প্রতিমাপূজকরা বাস করত, তবুও তিনি বিশ্বাস প্রদর্শন করেছিলেন। যিহোবা এলিয়কে সেখানে সেই নারী ও ভাববাদী উভয়ের জন্যই পাঠান। এটা থেকে আমরা অতীব গুরুত্বপূর্ণ এক শিক্ষা লাভ করতে পারি।

সারিফতের বালের সমস্ত উপাসক পুরোপুরি কলুষিত ছিল না। এলিয়কে এই বিধবার কাছে পাঠিয়ে যিহোবা দেখান যে, তিনি ভালো মনের ব্যক্তিদের লক্ষ করেন, যারা এখনও তাঁর সেবা করা শুরু করেনি। সত্যিই, “প্রত্যেক জাতির মধ্যে যে কেহ [ঈশ্বরকে] ভয় করে ও ধর্ম্মাচরণ করে, সে তাঁহার গ্রাহ্য হয়।”—প্রেরিত ১০:৩৫.

আপনার এলাকায় বসবাসরত কত জন লোক সারিফতের বিধবার মতো? যদিও তাদের চারপাশে মিথ্যা ধর্মের লোকেরা রয়েছে, কিন্তু তারা হয়তো আরও ভালো কিছুর জন্য আকাঙ্ক্ষা করে আছে। তাদের হয়তো যিহোবা সম্বন্ধে সামান্য জ্ঞান রয়েছে বা কোনো জ্ঞানই নেই আর তাই বিশুদ্ধ উপাসনাকে নিজের করে নেওয়ার জন্য তাদের সাহায্যের প্রয়োজন। আপনি কি এই ধরনের ব্যক্তিদের খুঁজছেন এবং তাদেরকে সাহায্য করছেন?

‘প্রথমে আমার জন্য একটী ক্ষুদ্র পিষ্টক প্রস্তুত করিয়া আন’

এলিয় সেই বিধবাকে কী করার জন্য বলেন, তা মনোযোগের সঙ্গে বিবেচনা করুন। বিধবা সবেমাত্র তাকে বলেন যে, তার নিজের ও তার ছেলের জন্য মাত্র এক বারের খাবার তৈরি করার পর, তারা তা খাবে এবং মারা যাবে। কিন্তু, এলিয় কী বলেন? “ভয় করিও না; যাহা বলিলে, তাহা কর গিয়া, কিন্তু প্রথমে তাহা হইতে আমার জন্য একটী ক্ষুদ্র পিষ্টক প্রস্তুত করিয়া আন; পরে আপনার ও ছেলেটীর জন্য প্রস্তুত করিও। কেননা ইস্রায়েলের ঈশ্বর সদাপ্রভু এই কথা কহেন, যে দিন পর্য্যন্ত সদাপ্রভু ভূতলে বৃষ্টি না দেন, সেই দিন পর্য্যন্ত তোমার ময়দার জালা শূন্য হইবে না, ও তৈলের ভাঁড় শুকাইয়া যাইবে না।”—১ রাজা. ১৭:১১-১৪.

‘শেষ খাবারটুকু দিয়ে দেব? বলেন কী?’ কেউ হয়তো বলতে পারে। কিন্তু, বিধবার প্রতিক্রিয়া এইরকম ছিল না। যিহোবা সম্বন্ধে সামান্য জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তিনি এলিয়ের প্রতি বিশ্বাস দেখান এবং তার কথা অনুযায়ী কাজ করেন। সেটা বিশ্বাসের কী এক বড়ো পরীক্ষাই-না ছিল আর তিনি কত বিজ্ঞ সিদ্ধান্তই-না নিয়েছিলেন!

এলিয়ের ঈশ্বর যিহোবার প্রতি বিধবার বিশ্বাস তার ও তার ছেলের জীবন বাঁচিয়েছিল

ঈশ্বর সেই দরিদ্র বিধবাকে পরিত্যাগ করেননি। এলিয়ের প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী যিহোবা তার সামান্য সরবরাহকে প্রচুর করেন, যাতে এর মাধ্যমে এলিয়, বিধবা এবং তার ছেলে খরা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। সত্যিই, “সদাপ্রভু এলিয়ের দ্বারা যে বাক্য বলিয়াছিলেন, তদনুসারে ঐ ময়দার জালা শূন্য হইল না, তৈলের ভাঁড়ও শুকাইল না।” (১ রাজা. ১৭:১৬; ১৮:১) সেই নারী যদি এলিয়ের কথা অনুযায়ী কাজ না করতেন, তাহলে তার সামান্য ময়দা এবং তেল দিয়ে তিনি যে-রুটি তৈরি করতেন, সেটাই হয়তো তার শেষ খাবার হতো। এর পরিবর্তে, তিনি বিশ্বাস দেখিয়ে কাজ করেন, যিহোবার ওপর নির্ভর করেন এবং প্রথমে এলিয়কে খেতে দেন।

 এখান থেকে আমরা যে-শিক্ষাটা লাভ করতে পারি, তা হল ঈশ্বর সেই ব্যক্তিদের আশীর্বাদ করেন, যারা বিশ্বাস দেখায়। আপনি যদি নীতিনিষ্ঠার পরীক্ষার মুখোমুখি হন এবং বিশ্বাস দেখান, তাহলে যিহোবা আপনাকে সাহায্য করবেন। আপনার পরীক্ষার সঙ্গে সফলভাবে মোকাবিলা করতে সাহায্য করার জন্য তিনি একজন জোগানদাতা, একজন সুরক্ষাকারী এবং একজন বন্ধু হয়ে উঠবেন।—যাত্রা. ৩:১৩-১৫.

১৮৯৮ সালে জায়ন্স ওয়াচ টাওয়ার বিধবার গল্প থেকে এই শিক্ষাটা তুলে ধরেছিল: “সেই নারীর যদি বাধ্য হওয়ার মতো বিশ্বাস থাকত, তাহলে তাকে ভাববাদীর মাধ্যমে প্রভুর সাহায্য লাভের যোগ্য বলে গণ্য করা হতো; তিনি যদি বিশ্বাস না দেখাতেন, তাহলে আরেকজন বিধবাকে পাওয়া যেত, যিনি বিশ্বাস দেখাতেন। আমাদের বিশ্বাসও পরীক্ষিত হবে—জীবনের যাত্রাপথে বিভিন্ন পদক্ষেপে প্রভু আমাদেরকে এমন স্থানে নিয়ে আসেন, যেখানে তিনি আমাদের বিশ্বাসের পরীক্ষা করেন। আমরা যদি বিশ্বাস দেখিয়ে চলি, তাহলে আমরা আশীর্বাদ লাভ করব; যদি না দেখাই, তাহলে তা হারাব।”

আমরা যখন কোনো নির্দিষ্ট পরীক্ষার মুখোমুখি হই, তখন শাস্ত্র এবং বাইবেলভিত্তিক প্রকাশনা থেকে আমাদের ঈশ্বরের নির্দেশনা খুঁজতে হবে। এরপর আমাদের যিহোবার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে, এমনকী সেটাকে গ্রহণ করা আমাদের জন্য যত কঠিন বলেই মনে হোক না। আমরা যদি এই বিজ্ঞ প্রবাদ অনুযায়ী কাজ করি, তাহলে সত্যিই আমরা আশীর্বাদ লাভ করব: “তুমি সমস্ত চিত্তে সদাপ্রভুতে বিশ্বাস কর; তোমার নিজ বিবেচনায় নির্ভর করিও না; তোমার সমস্ত পথে তাঁহাকে স্বীকার কর; তাহাতে তিনি তোমার পথ সকল সরল করিবেন।”—হিতো. ৩:৫, ৬.

‘আপনি আমার পুত্ত্রকে মারিয়া ফেলিতে আমার এখানে আসিয়াছেন’

বিধবার বিশ্বাস আরেক বার পরীক্ষিত হতে যাচ্ছিল। বাইবেলের বিবরণ বলে, “এই সকল ঘটনার পরে সেই স্ত্রীলোকের, সেই গৃহস্বামিনীর, পুত্ত্র পীড়িত হইল, এবং তাহার পীড়া এমন উৎকট হইল যে, তাহার শরীরে আর শ্বাসবায়ু রহিল না।” এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ খুঁজে বের করার জন্য শোকার্ত মা এলিয়কে বলেন: “হে ঈশ্বরের লোক, আপনার সহিত আমার বিষয় কি? আপনি আমার অপরাধ স্মরণ করাইতে ও আমার পুত্ত্রকে মারিয়া ফেলিতে আমার এখানে আসিয়াছেন।” (১ রাজা. ১৭:১৭, ১৮) এই তিক্ত কথাগুলোর অর্থ কী?

সেই নারীর কি এমন পাপের কথা মনে পড়ে, যা তার বিবেককে দংশন করে? তিনি কি এইরকমটা মনে করেন যে, তার ছেলের মৃত্যু ঈশ্বরের কাছ থেকে এক শাস্তি আর এলিয় ঈশ্বরের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বার্তাবাহক? বাইবেল আমাদের তা জানায় না কিন্তু একটা বিষয় স্পষ্ট: সেই বিধবা কোনো অন্যায়ের জন্য ঈশ্বরকে দোষারোপ করেননি।

এলিয় সেই বিধবার পুত্রের মৃত্যুতে অনেক আঘাত পেয়েছিলেন এবং তার এই ধারণা সম্বন্ধে জেনেও কষ্ট পেয়েছিলেন যে, ভাববাদীর উপস্থিতিই তার প্রচণ্ড শোকের কারণ। সেই ছেলের নিথর দেহটা ওপরের কামরায় নিয়ে যাওয়ার পর এলিয় জোরে জোরে বলেন: “হে সদাপ্রভু, আমার ঈশ্বর, আমি যে বিধবার বাটীতে প্রবাস করিতেছি, তুমি কি তাহার পুত্ত্রকে মারিয়া ফেলিয়া তাহারও উপরে অমঙ্গল উপস্থিত করিলে?” যিহোবা যদি এই সদয় এবং অতিথিপরায়ণ নারীকে আরও কষ্ট ভোগ করতে দেন, তাহলে ঈশ্বরের নামের ওপর যে-নিন্দা আসবে সেটা ভাববাদী সহ্য করতে পারবেন না। তাই, এলিয় যাচ্ঞা করেন: “হে সদাপ্রভু, আমার ঈশ্বর, বিনয় করি, এই বালকের মধ্যে প্রাণ ফিরিয়া আসুক।”—১ রাজা. ১৭:২০, ২১.

“দেখ, তোমার পুত্ত্র জীবিত”

যিহোবা এই প্রার্থনা শোনেন। সেই বিধবা তাঁর ভাববাদীর জন্য ভরণ-পোষণ জুগিয়েছেন এবং বিশ্বাস দেখিয়েছেন। স্পষ্টতই, ঈশ্বর ছেলেটার অসুস্থতার কারণে মৃত্যু ঘটতে দেন কারণ তিনি জানতেন যে, তাকে পুনরুত্থান করা হবে এবং এটা ভাবী বংশধরদের আশা প্রদান করবে। এই পুনরুত্থান ছিল শাস্ত্রে লিপিবদ্ধ প্রথম পুনরুত্থান। এলিয় যখন তাঁর কাছে অনুরোধ করেন, তখন যিহোবা ছেলেটার জীবন ফিরিয়ে দেন। একটু কল্পনা করুন যে, সেই সময় বিধবা কতটা আনন্দিত হন, যখন এলিয় বলেন: “দেখ, তোমার পুত্ত্র জীবিত”! এরপর বিধবা এলিয়কে বলেন: “এখন আমি জানিতে পারিলাম, আপনি ঈশ্বরের লোক, এবং সদাপ্রভুর যে বাক্য আপনার মুখে আছে, তাহা সত্য।”—১ রাজা. ১৭:২২-২৪.

প্রথম রাজাবলি ১৭ অধ্যায়ের বিবরণ এই নারী সম্বন্ধে আর কিছু বলে না। কিন্তু, যেহেতু যিশু তার সম্বন্ধে ইতিবাচকভাবে উল্লেখ করেছিলেন, তাই তিনি হয়তো পরবর্তী সময়ে যিহোবার একজন বিশ্বস্ত দাস হিসেবে জীবনযাপন করেছিলেন। (লূক ৪:২৫, ২৬) তার কাহিনি আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে, ঈশ্বর সেই লোকেদের আশীর্বাদ করেন, যারা তাঁর দাসদের জন্য ভালো কিছু করে। (মথি ২৫:৩৪-৪০) এটা এই প্রমাণ দেয় যে, ঈশ্বর বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের ভরণ-পোষণ জোগান, এমনকী চরম পরিস্থিতিতেও। (মথি ৬:২৫-৩৪) এ ছাড়া, এই বিবরণ এও প্রমাণ করে যে, মৃত ব্যক্তিদেরকে পুনরুত্থিত করার বিষয়ে যিহোবার আকাঙ্ক্ষা এবং ক্ষমতা রয়েছে। (প্রেরিত ২৪:১৫) নিশ্চিতভাবেই, সারিফতের বিধবার কথা স্মরণ করার চমৎকার কারণ রয়েছে।