সরাসরি বিষয়বস্তুতে যান

সরাসরি দ্বিতীয় মেনুতে যান

সরাসরি বিষয়সূচিতে যান

যিহোবার সাক্ষিরা

বাংলা

সজাগ হোন!  |  অক্টোবর ২০১৪

বিশ্ব নিরীক্ষা

বিশ্ব নিরীক্ষা

বিশ্ব

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র মতে, নারীনির্যাতন “বিশ্বব্যাপী এমন এক সমস্যা, যেটা মহামারীর আকার ধারণ করেছে।” এই সংস্থা আরও বলে, ‘প্রায় ৩৫ শতাংশ মহিলারই, তাদের স্বামী অথবা যে-সাথির সঙ্গে তারা বিবাহ না করেই থাকে বা থাকত কিংবা অন্যদের দ্বারা নির্যাতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বিশ্বব্যাপী যে-ঘটনাটা বেশি চোখে পড়ে, তা হল ৩০ শতাংশ মহিলাই তাদের স্বামী অথবা সাথির দ্বারা নির্যাতিতা হয়।’

ব্রিটেন

৬৪,৩০৩ জনের ওপর সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে, এদের মধ্যে ৭৯ শতাংশ লোক মনে করে “বর্তমান পৃথিবীতে বেশিরভাগ দুর্দশা এবং দ্বন্দ্বের কারণ হল ধর্ম।” এ ছাড়া, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ২০১১ সালের লোকগণনায় দেখা গিয়েছে যে, প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৫৯ জন লোক নিজেদের খ্রিস্টান বলে দাবি করে, যেখানে ২০০১ সালে এই সংখ্যা ছিল ৭২। এই সময়ের মধ্যে, কোনো ধর্মকেই মানে না এমন ব্যক্তিদের সংখ্যা প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১৫ থেকে বেড়ে ২৫-এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

চিন

প্রচারমাধ্যমের রিপোর্ট দেখায়, সম্প্রতি সংশোধিত আইন অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরা যে প্রায়ই তাদের বৃদ্ধ বাবা-মাদের সঙ্গে দেখা করতে আসবে এমন নয় কিন্তু সেইসঙ্গে তাদের “আবেগগত চাহিদাও” পূরণ করবে। তবে যে-সমস্ত ছেলে-মেয়ে এই আইন অনুযায়ী চলে না, তাদের জন্য যে “কোনো শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে, এমন নয়।” (g১৪-E ০৯)

ইউরোপ

অপরাধী দলগুলো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের নকল তৈরি করছে, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে কসমেটিক্‌স বা সাজগোজের সামগ্রী, কাপড় কাচার পাউডার, এমনকী খাদ্যদ্রব্যও। ফুড-সিকিউরিটি কনসালটেন্সির প্রেসিডেন্টের মতে, “এমনকী সাধারণ মূল্যের প্রায় প্রত্যেকটা সামগ্রীরই নকল বের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” একজন বিশেষজ্ঞ হিসাব কষে দেখেছেন যে, উন্নত দেশগুলোতে আমদানীকৃত খাদ্যদ্রব্যের ১০ শতাংশে ভেজাল মেশানো থাকে।